নিউজ

 

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই বিশাল জয় ওমানের

স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশিত: ০৭:০১ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০২১

প্রথমপর্বের স্বাগতিক তারা। পাপুয়া নিউগিনির (পিএনজি) বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটিতেই নিজেদের ভয়ংকর চেহারা দেখালো ওমান। এই গ্রুপেই রয়েছে বাংলাদেশ। টাইগারদের যেন বড় ধরনের সতর্কবার্তা দিয়ে রাখলো স্বাগতিকরা।

আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আজ (সোমবার) র‌্যাংকিংয়ে তিন ধাপ ওপরে থাকা পিএনজিকে পাত্তাই দেয়নির ওমান। ১০ উইকেটের (৪৪ বল হাতে রেখে) বিশাল জয়ে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করেছে স্বাগতিকরা। ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ তাদের।

বিজ্ঞাপন

ওমানের আসল কাজটা অবশ্য করে দিয়েছিলেন বোলাররাই। ব্যাটসম্যানদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩০ রানের। টি-টোয়েন্টি ফরমেটে যেটাকে মামুলি লক্ষ্যই বলা যায়।

তাই বলে এত মামুলিও নয় যে ১০ উইকেট হাতে রেখেই এমন অনায়াস জয় পাওয়া যাবে। র‌্যাংকিংকে যদি শক্তিমত্তার মানদণ্ড ধরা হয়, তবে দুই দলের মধ্যে তো কিছুটা পিছিয়ে ছিল ওমানই (পিএনজি ১৫, ওমান ১৮)।

বিজ্ঞাপন

তবে ঘরের মাঠের সমর্থন যেন স্বাগতিক দলের দুই ওপেনার আকিবল ইলিয়াস আর জতিন্দর সিংকে পেছনে তাকাতেই দিলো না। ইলিয়াস ৪৩ বলে ৫০ আর জতিন্দর ৪২ বলে ৭৩ রানের ঝড় তুলে বিজয়ীর বেশেই মাঠ ছেড়েছেন।

এর আগে পিএনজির শুরুটা হয়েছিলো ভয়াবহ, দলের রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার। সেখান থেকে মাঝে হাল ধরেন টপঅর্ডারের দুই ব্যাটার। কিন্তু শেষদিকের ভয়াবহ ব্যাটিং ধসে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে সংগ্রহটা বড় হয়নি পিএনজির।

বিজ্ঞাপন

স্বাগতিক ওমানের বোলিং তোপে একপর্যায়ে মাত্র ৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে পিএনজি। শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস থামে ৯ উইকেটে ১২৯ রানে।

jagonews24

টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ওমান অধিনায়ক জিশান মাকসুদ। তার বোলিং তোপেই পড়েছে পিএনজি। নিজের দ্বিতীয় ওভারে চার বলে তিন উইকেট নিয়েছেন জিশান। সবমিলিয়ে ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

ইনিংসের পঞ্চম বলেই সাজঘরে ফিরে যান টনি উরা। পরের ওভারের তৃতীয় বলে একই পথ ধরেন আরেক ওপেনার লেগা সিয়াকা। শূন্য রানে দুই উইকেট পতনের পর তবে তৃতীয় উইকেটে পাল্টা আক্রমণ করেন অধিনায়ক আসাদ ভালা ও চার নম্বরে নামা চার্লস আমিনি।

এ দুজনের জুটিতে মাত্র ১০ ওভারেই আসে ৮১ রান। ইনিংসের দ্বাদশ ওভারে রানআউটের মাধ্যমে ভাঙে এই জুটি। দূর্ভাগ্যজনক আউট হওয়ার আগে ৪ চার ও ১ ছয়ের মারে ২৬ বলে ৩৭ রান করেন আমিনি। তবে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন অধিনায়ক ভালা।

ইনিংসের ১৫তম ওভারে কলিমউল্লাহর বলে আউট হন ভালা। তার ব্যাট থেকে আসে ৪ চার ও ৩ ছয়ের মারে ৪৩ বলে ৫৬ রানের ইনিংস। দলীয় ১০২ রানের মাথায় চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ভালার বিদায়ের পরপরই মূলত মোড়ক লাগে পিএনজির ইনিংসে।

শেষের ছয় ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৭ রান করতে পেরেছে পিএনজি। এর মধ্যে দলীয় ১১২ থেকে ১১৮ রানের মধ্যেই পাঁচটি উইকেট হারায় তারা। যার ফলে শেষ হয়ে যায় বড় স্কোর গড়ার সম্ভাবনা।

ওমানের পক্ষে ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন জিশান। এছাড়া বিলাল খান ও কলিমউল্লাহর শিকার ২টি করে উইকেট।

এমএমআর/জেআইএম

বিজ্ঞাপন

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে সাহসী ক্রিকেটের বার্তা দিলেন আফগান অধিনায়ক

স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশিত: ০৬:২৪ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০২১

সাম্প্রতিক সময়ে তালেবানদের হস্তক্ষেপের কারণে অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিলো আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ। তবে শেষপর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দিয়েছে আইসিসি।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে আফগানিস্তান। যেখানে গ্রুপ-২য়ে তাদের প্রতিপক্ষ ভারত,পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও প্রথম পর্ব থেকে আসা দুটি দল। আগামী সোমবার (২৫ অক্টোবর) প্রথম পর্ব থেকে আসা দলের মুখোমুখি হয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে আফগানরা।

বিজ্ঞাপন

তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতা গ্রহণের পর বলা হয়েছিলো, যদি তাদের নারী ক্রিকেট দলকে দেশের মধ্যে খেলতে দেওয়া না হয়, তাহলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পুরুষ দলকে নিষিদ্ধ করা হবে। আইসিসির আনুষ্ঠানিক অনুমতির পর তাদের এই অনিশ্চিয়তা দূর হয়েছে।

কিন্তু এরপরও শেষ হয়নি নাটকীয়তা। বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণার ২০ মিনিটের মাথায় অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন দলের তারকা স্পিনার রশিদ খান। তার জায়গায় নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় মোহাম্মদ নবিকে। তারই নেতৃত্বে মাঠে লড়বে আফগান ক্রিকেট দল।

বিজ্ঞাপন

এরপর বিশ্বকাপে অংশ নিতে আরব আমিরাতে যাওয়ার আগে দলটি পড়ে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায়। তবে মাঠের বাইরের এতসব নেতিবাচক ঘটনার প্রভাব মাঠের খেলায় পড়তে দিতে চান না আফগান অধিনায়ক নবি। তিনি জানিয়েছেন, সমস্ত রাজনৈতিক অস্থিরতাকে বাদ দিয়ে দলটি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ২০১৮-১৯ মৌসুমে আফগানিস্তান টানা ১২টি ম্যাচ জিতেছে। যা অন্য সব দলের চেয়ে বেশি। এছাড়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ডটিও আফগানদের দখলে। দেরাদুনে ২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২৭৮/৩ স্কোর করেছিলো তারা।

বিজ্ঞাপন

সেদিন আফগানিস্তানের ওপেনিং ব্যাটার হয়রতউল্লাহ জাযাই অপরাজিত ইনিংসে ১৬ ছক্কার মারে করেছিলেন ১৬২ রান। যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। এ তালিকায় ১৭২ রান করে শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চ।

বিশ্বকাপে খেলা প্রসঙ্গে নবি বলেছেন, তারা আত্নবিশ্বাসী হয়ে মাঠে লড়াই করবেন। কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে বরাবরই আক্রমণাত্মক মানসিকতার ক্রিকেট খেলে থাকে আফগানিস্তান। এবার বিশ্ব মঞ্চেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান নবি।

ক্রিকেটডটকমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নবি বলেছেন, ‘আমাদের দলটি দুর্দান্ত। গত দেড় মাস ধরে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আরব আমিরাতে তারা জলদি পৌঁছাতে পারেনি। তবে কাতারে অনুশীলন করেছে তারা। অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার একজন দুর্দান্ত কোচ এবং প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য ভালো পরামর্শদাতা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পিচ সম্পর্কে তিনি অনেক কিছু জানেন।’

এসময় নিজেদের খেলার ধরন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সর্বদা সাহসিকতার সঙ্গে খেলাই আমাদের মানসিকতা। ফাস্ট বোলিং হোক কিংবা স্পিনার আমরা একই পন্থা অনুসরণ করি। বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া একটি কঠিন কাজ। আমি আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো দলকে এগিয়ে নেওয়ার এবং টুর্নামেন্টে ভালো পারফর্ম করার।’

জেআর/এসএএস/জিকেএস

বিজ্ঞাপন

পরবর্তী খবর

৬ রানে ৫ উইকেট, পিএনজিকে হঠাৎ ধসিয়ে দিলো ওমান

স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশিত: ০৫:৪৬ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০২১

শুরুটা হয়েছিলো ভয়াবহ, দলের রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার। সেখান থেকে মাঝে হাল ধরেন টপঅর্ডারের দুই ব্যাটার। কিন্তু শেষদিকের ভয়াবহ ব্যাটিং ধসে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে সংগ্রহটা বড় হয়নি পাপুয়া নিউগিনির (পিএনজি)।

স্বাগতিক ওমানের বোলিং তোপে একপর্যায়ে মাত্র ছয় রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে পিএনজি। শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস থেমেছে ৯ উইকেটে ১২৯ রানে। জয় দিয়ে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করতে ওমানের সামনে এখন লক্ষ্য ১৩০ রানের। 

বিজ্ঞাপন

ওমানের আল আমেরাতে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ওমান অধিনায়ক জিশান মাকসুদ। তার বোলিং তোপেই পড়েছে পিএনজি। নিজের দ্বিতীয় ওভারে চার বলে তিন উইকেট নিয়েছেন জিশান। সবমিলিয়ে ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের পঞ্চম বলেই সাজঘরে ফিরে যান টনি উরা। পরের ওভারের তৃতীয় বলে একই পথ ধরেন আরেক ওপেনার লেগা সিয়াকা। শূন্য রানে দুই উইকেট পতনের পর তবে তৃতীয় উইকেটে পাল্টা আক্রমণ করেন অধিনায়ক আসাদ ভালা ও চার নম্বরে নামা চার্লস আমিনি।

বিজ্ঞাপন

এ দুজনের জুটিতে মাত্র ১০ ওভারেই আসে ৮১ রান। ইনিংসের দ্বাদশ ওভারে রানআউটের মাধ্যমে ভাঙে এই জুটি। দূর্ভাগ্যজনক আউট হওয়ার আগে ৪ চার ও ১ ছয়ের মারে ২৬ বলে ৩৭ রান করেন আমিনি। তবে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন অধিনায়ক ভালা।

ইনিংসের ১৫তম ওভারে কলিমউল্লাহর বলে আউট হন ভালা। তার ব্যাট থেকে আসে ৪ চার ও ৩ ছয়ের মারে ৪৩ বলে ৫৬ রানের ইনিংস। দলীয় ১০২ রানের মাথায় চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ভালার বিদায়ের পরপরই মূলত মোড়ক লাগে পিএনজির ইনিংসে।

বিজ্ঞাপন

শেষের ছয় ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৭ রান করতে পেরেছে পিএনজি। এর মধ্যে দলীয় ১১২ থেকে ১১৮ রানের মধ্যেই পাঁচটি উইকেট হারায় তারা। যার ফলে শেষ হয়ে যায় বড় স্কোর গড়ার সম্ভাবনা। তাদের ইনিংস থামে ৯ উইকেটে ১২৯ রানে।

ওমানের পক্ষে ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন জিশান। এছাড়া বিলাল খান ও কলিমউল্লাহর শিকার ২টি করে উইকেট।

এসএএস/জিকেএস

বিজ্ঞাপন

Comments

Popular posts from this blog

খবর ১৬/১০/২০২১

বড় পরাজয়ে সেমির স্বপ্ন ধূসর বাংলাদেশের স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৭:০৬ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০২১ বড় পরাজয়ে সেমির স্বপ্ন ধূসর বাংলাদেশের সুপার টুয়েলভপর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটা হাতের মুঠো থেকে ছুটে গিয়েছিল ক্যাচ মিসের ভুলে। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ, এমন আশায় ছিলেন সমর্থকরা। সেই আশায় গুঁড়েবালি। জয় তো দূরের কথা, এবার লড়াইটাও করতে পারেনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। তাদের ৪১ বল আর ৮ উইকেট হাতে রেখে হেসেখেলেই হারিয়েছে ইংল্যান্ড। তাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ধূসর হয়ে গেলো টাইগারদের। বিজ্ঞাপন ১২৫ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মারমুখী শুরু করেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জস বাটলার আর জেসন রয়। ২৮ বলেই তারা তুলে ফেলেন ৩৯ রান। ঝড়ো এই জুটিটি শেষ পর্যন্ত ভাঙেন নাসুম আহমেদ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বল হাতে নিয়েই উইকেটের দেখা পান বাঁহাতি এই স্পিনার। বিজ্ঞাপন নাসুমকে তুলে মারতে গিয়ে লংঅফে নাইম শেখের ক্যাচ হন জস বাটলার (১৮ বলে ১৮)। ওই পর্যন্তই। পরের জুটিই ম্যাচ বের করে নিয়ে আসে বাংলাদেশের হাত থেকে। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৮ বলে ৭৩ রান যোগ করেন জেসন রয় আর ডেভিড মালান। ৩৩ বলে ফিফটি পূরণ করেন রয়। শেষ পর্যন্ত ১৩তম ওভারে এসে আউট হন ইংলিশ ওপেনার। ৩৮ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৬১ রান করে থার্ডম্যানে নাসুমের ক্যাচ হন রয়। বিজ্ঞাপন jagonews24 তবে তখন ৪৩ বলে মাত্র ১৩ রান দরকার ইংল্যান্ডের। সেই পথটুকু অনায়াসেই পাড়ি দিয়েছেন ডেভিড মালান আর জনি বেয়ারস্টো। মালান ২৫ বলে ২৮ আর বেয়ারস্টো ৪ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে ৯ উইকেটে ১২৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। সুপার টুয়েলভের এই লড়াইয়ে টসভাগ্য সহায় ছিল টাইগারদের। প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আবুধাবিতে বেশ ইতিবাচকই দেখা যাচ্ছিল দুই ওপেনার নাইম শেখ আর লিটন দাসকে। লিটন তো প্রথম ওভারেরই শেষ দুই বলে দুটি বাউন্ডারি হাঁকান। কিন্তু সেই শুরুটা বেশিদূর এগোতে পারেনি। মঈন আলির করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ হন লিটন (৮ বলে ৯)। পরের বলে তুলে মারতে গিয়ে মিডঅনে তুলে দেন নাইমও (৭ বলে ৫)। ১৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই চাপ আরও বাড়িয়েছেন অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসান (৭ বলে ৪) অদূরদর্শী শট খেলে। ক্রিস ওকসের বলে শর্ট ফাইন লেগে তুলে দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার, দারুণ এক ক্যাচ নেন আদিল রশিদ। ২৬ রানে ৩ ব্যাটসম্যান সাজঘরে। সেখান থেকে দলকে অনেকটা সময় ভরসা দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অভিজ্ঞ যুগলের ব্যাটে চড়ে যখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল টাইগাররা, তখনই ভুল করে বসেন মুশফিক। পছন্দের শট রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে একবার ক্যাচ হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওই রিভার্স সুইপের লোভ সামলাতে পারেননি তারপরও। লিয়াম লিভিংস্টোনের ঘূর্ণি মিস করে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন মুশফিক (৩০ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৯)। তাতেই ভাঙে ৩২ বলে ৩৭ রানের আশা জাগানিয়া জুটিটি। এরপর আফিফ হোসেন (৬ বলে ৫) রানআউটের কবলে পড়েন। মাহমুদউল্লাহ (২৪ বলে ১৯), শেখ মেহেদি হাসান (১০ বলে ১১) সেই ব্যর্থদের কাতারেই নাম লেখান। শেষদিকে নাসুম আহমেদের ৯ বলে ১ চার আর ২ ছক্কায় গড়া ১৯ রানের ইনিংস আর নুরুল হাসান সোহানের ১৮ বলে ১৬ রানে ভর করে ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশ। এমএমআর/জিকেএস টি-টোয়েন্টি-বিশ্বকাপ বাংলাদেশ-ক্রিকেট ইংল্যান্ড-ক্রিকেট বিজ্ঞাপন পরবর্তী খবর শেরে বাংলার স্লো পিচে খেলে কী লাভ হলো তাহলে? আরিফুর রহমান বাবু | প্রকাশিত: ০৬:৩৯ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০২১ শেরে বাংলার স্লো পিচে খেলে কী লাভ হলো তাহলে? বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সিনিয়র প্লেয়ারদের সবাই, হেড কোচ ডোমিঙ্গো, এমনকি নির্বাচকরাও বড় গলায় বলেছিলেন, ‘দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয় আমাদের সাহস, আস্থা আর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছি। আসলে কি তাই? সত্যিই রিয়াদের দল স্লো উইকেটে খেলে লাভ হয়েছে রিয়াদের দলের? ‘আচ্ছা ভাই, বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে শেরে বাংলার স্লো পিচে খেলে কী লাভ হলো বলতে পারেন?’ এক পাঠকের প্রশ্ন। বিজ্ঞাপন শুধু ওই পাঠকই নন, যদি তেমনটাই হবে, তাহলে আজ বুধবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামের স্লো পিচে ব্যাটিংয়ের এমন হতচ্ছিরি অবস্থা কেন বাংলাদেশ দলের? এ প্রশ্নের উত্তর দেবেন কে? অধিনায়ক রিয়াদ? হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো না টিম ম্যানেজমেন্ট? এদিকে দেশে অনেক আশা নিয়ে টিভির সামনে বসে থাকা কোটি ভক্ত ও সমর্থক আবারো চরম হতাশ। বিজ্ঞাপন সবার একটাই কথা, ইংল্যান্ডের নির্জিব ও মাঝারি মানের বোলিংয়ের বিপক্ষে এমন খাপছাড়া শ্রীহীন ব্যাটিং কেন? এটা ১৭০-এর উইকেট নয়। এখানে ১৪৫-১৫০ রান হতে পারে ফাইটিং স্কোর; কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখে মনে হলো না তাদের মাঝে এ বোধ, উপলব্ধি ছিল। থাকলে আরও একটু রয়ে-সয়ে খেলতেন সবাই। তাতে নিশ্চিতভাবেই ১৪০ থেকে দেড়শো রান করা সম্ভব ছিল। Mushfiq বিজ্ঞাপন